Search This Blog

Wednesday, February 22, 2017

৬০ টি উদ্ভিদ ও প্রাণীর বৈজ্ঞানিক নাম


বৈজ্ঞানিক নামকরণ বা দ্বিপদী নামকরণ:


দ্বিপদী নামকরণ হলো দুটি
পদের সমন্বয়ে উদ্ভিদ ও প্রাণীর নামকরণের পদ্ধতি। এই নামকরণ ল্যাটিন ভাষায় করা হয় এবং
এর দুইটি অংশ থাকে। প্রথমে গণের নাম এবং শেষে প্রজাতির নাম থাকে। এই
নামকে বৈজ্ঞানিক নামও বলা হয়।
সুইডিশ প্রকৃতিবিদ ক্যারোলাস লিনিয়াস হলেন দ্বিপদী নামকরণ পদ্ধতির প্রবক্তা।


গুরুত্বপূর্ণ কিছু উদ্ভিদ ও প্রাণীর বৈজ্ঞানিক নাম নিচে দেয়া হলো-


সাধারণ নাম→বৈজ্ঞানিক নাম

১। গোলআলু Solanum tuberosun
২। পিয়াজ Allium cepa
৩। ধান Oryza sativa
৪। জবা Hibiscus rosa-sinensis
৫। পাট Corchorus capsularis
৬। আম Mangifera indica
৭। কাঁঠাল Artocarpus heterophyllus
৮। শাপলা Nymphea nouchali
৯। রুই মাছ Labeo rohita
১০। কাতলা Catla catla
১১। সিংহ Panthera leo
১২। রয়েল বেঙ্গল টাইগার Panthera tigris
১৩। ম্যালেরিয়া জীবাণু Plasmodium vivax
১৪। আরশোলা Periplaneta americana
১৫। মৌমাছি Apis indica
১৬। ইলিশ Tenualosa ilisha
১৭। কুনোব্যাঙ Bufo/Duttaphrynus
melanostictus
১৮। দোয়েল Copsychus saularis
১৯। মানুষ Homo sapiens
২০। কলেরা জীবাণু Vibrio cholera
২১। গম Triticum aestivum
২২। ভুট্টা Zea mays
২৩। মসুর Lens culinaris
২৪। ছোলা Cicer arietinum
২৫। মোটর Pisum sativum
২৬। সোনামুগ Vigna radiate
২৭। মাসকলাই Vigna mungo
২৮। খেসারী Lathyrus sativus
২৯। সয়াবিন Glycine max
৩০। তিল Sesamum indicum
৩১। সূর্যমুখী Helianthus annuus
৩২। মুলা Raphanus sativus
৩৩। নারকেল Cocos nucifera
৩৪। পুঁইশাক Basella alba
৩৫। বেগুন Solanum melongena
৩৬। কলা Musa sapientum
৩৭। লিচু Litchi chinensis
৩৮। আনারস Ananas comosus
৩৯। কালজাম Eugenia jambolana (Syzygium
cumini)
৪০। পেয়ারা Psidium guajava
৪১। বেল Aegle marmelos
৪২। কুল/বরই Zizyphus mauritiana
৪৩। পেঁপে Carica papaya
৪৪। কফি Coffea arabica
৪৫। চা Camellia sinensis
৪৬। সেগুন Tectona grandis
৪৭। শাল/গজারি Shorea robusta
৪৮। সুন্দরী Heritiera fomes
৪৯। মেহগনি Swietenia mahagoni
৫০। শিশু Dulbergia sissoo
৫১। বাসক Adhatoda vasica
৫২। থানকুনি Centella asiatica
৫৩। তুলসী Ocimum sanctum
৫৪। কালমেঘ Andrographis paniculata
৫৫। নিম Melia azadirachta
৫৬। ধুতুরা Datura metel
৫৭। সর্পগন্ধা Rauvolfia serpentina
৫৮। রজনীগন্ধা Polianthes tuberosa
৫৯। ব্রাহ্মী Bacopa moniera
৬০।শীতলপাটি Clinogyne dichotoma

Sunday, February 19, 2017

আল কুরআনের সূরাসমূহের নাম, নামের অর্থ এবং আয়াতসংখ্যা


আল কুরআনের সূরাগুলোর নামের অর্থ প্রথম বন্ধনীর ভেতর উল্লেখ করা হলো।


সূরার নাম→অর্থ→আয়াতসংখ্যা    

১। আল- ফাতিহা (সূচনা) → ৭

২। আল-বাকারা (বকনা-বাছুর)→২৮৬

৩। আল-ইমরান(ইমরানের পরিবার) →২০০

৪। নিসা (নারী) → ১৭৬

৫। আল-মায়িদাহ (খাদ্য পরিবেশিত
টেবিল) → ১২০

৬। আল-আনআম (গৃহপালিত পশু) →১৬৫

৭। আল-আরাফ (উচু স্থানসমূহ)→২০৬

৮। আল-আনফাল (যুদ্ধে-লব্ধ ধনসম্পদ)→৭৫

৯। আত-তাওবাহ (অনুশোচনা)→১২৯

১০। ইউনুস (একজন নবী)→১০৯

১১। হুদ (একজন নবী)→১২৩

১২। ইউসুফ (একজন নবী)→১১১

১৩। আর-রাদ (বজ্রনাদ)→৪৩

১৪। ইবরাহীম (একজন নবী)→৫২

১৫। আল-হিজর (পাথুরে পাহাড়)→৯৯

১৬। আন-নাহল (মৌমাছি)→১২৮

১৭। বনি ইসরাইল (ইহুদী জাতি)→১১১

১৮। আল-কাহফ (গুহা)→১১০

১৯। মারিয়াম (নবী ঈসা(আঃ) এর মা)→৯৮

২০। ত্বা হা (ত্বা হা)→১৩৫

২১। আল-আম্বিয়া (নবীগণ)→১১২

২২। আল-হাজ্ব (হজ্ব)→৭৮

২৩। আল-মুমিনুন (মুমিনগণ)→১১৮

২৪। আন-নূর (আলো)→৬৪

২৫। আল-ফুরকান (সত্য মিথ্যার পার্থক্য
নির্ধারণকারী গ্রম্থ)→৭৭

২৬। আশ-শুআরা (কবিগণ)→২২৭

২৭। আন-নমল (পিপীলিকা)→৯৩

২৮। আল-কাসাস (কাহিনী)→৮৮

২৯। আল-আনকাবুত (মাকড়সা)→৬৯

৩০। আর-রুম (রোমান জাতি)→৬০

৩১। লুকমান (একজন জ্ঞানী ব্যাক্তি)→৩৪

৩২। আস-সাজদাহ (সিজদা)→৩০

৩৩। আল-আহযাব (জোট)→৭৩

৩৪। আস-সাবা (রানী সাবা/শেবা)→৫৪

৩৫। আল-ফাতির (আদি স্রষ্টা)→৪৫

৩৬। ইয়া সিন (ইয়া সিন)→৮৩

৩৭। আস-সাফফাত (সারিবদ্ধভাবে
দাড়ানো)→১৮২

৩৮। সোয়াদ (আরবি বর্ণ)→৮৮

৩৯। আয-যুমার (দল-বদ্ধ জনতা)→৭৫

৪০। আল-মুমিন (বিশ্বাসী)→৮৫

৪১। হামিম সাজদাহ (সুস্পষ্ট বিবরণ)→৫৪

৪২। আশ-শূরা (পরামর্শ)→৫৩

৪৩। আয-যুখরুফ (সোনাদানা)→৮৯

৪৪। আদ-দুখান (ধোয়া, smoke)→৫৯

৪৫। আল-জাসিয়াহ (নতজানু)→৩৭

৪৬। আল-আহকাফ (বালুর পাহাড়)→৩৫

৪৭। মুহাম্মদ [নবী মুহাম্মদ স:]→৩৮

৪৮। আল-ফাতহ (বিজয়)→২৯

৪৯। আল-হুজুরাত (বাসগৃহসমুহ)→১৮

৫০। ক্বাফ (আরবি বর্ণ)→৪৫

৫১। আয-যারিয়াত (বিক্ষেপকারী বাতাস)→৬০

৫২। আত-তুর (একটি পাহাড়ের নাম)→৪৯

৫৩। আন-নাজম (তারা)→৬২

৫৪। আল-ক্বমর (চন্দ্র)→৫৫

৫৫। আর-রাহমান (পরম করুণাময়)→৭৮

৫৬। আল-ওয়াকিয়াহ (নিশ্চিত ঘটনা)→৯৬

৫৭। আল-হাদিদ (লোহা)→২৯

৫৮। আল-মুজাদিলাহ (অনুযোগকারিণী)→২২

৫৯। আল-হাশর (সমাবেশ)→২৪

৬০। আল-মুমতাহানা (নারী যাকে পরিক্ষা
করা হবে)→১৩

৬১। আস-সাফ (সারবন্দী সৈন্যদল)→১৪

৬২। আল-জুমুআহ (সম্মেলন/শুক্রবার)→১১

৬৩। আল-মুনাফিকুন (কপট বিশ্বাসীগণ)→১১

৬৪। আত-তাগাবুন (মোহ অপসারণ)→১৮

৬৫। আত-ত্বালাক (তালাক)→১২

৬৬। আত-তাহরীম (নিষিদ্ধকরণ)→১২

৬৭। আল-মুলক (সার্বভৌম কতৃত্ব)→৩০

৬৮। আল-ক্বলম (কলম)→৫২

৬৯। আল-হাক্ক্বাহ (নিশ্চিত সত্য)→৫২

৭০। আল-মাআরিজ (উন্নয়নের সোপান)→৪৪

৭১। নূহ (একজন নবী)→২৮

৭২। আল-জ্বিন (জ্বিন সম্প্রদায়)→২৮

৭৩। মুযাম্মিল (বস্ত্রাচ্ছাদনকারী)→২০

৭৪। মুদাসসির (পোশাক পরিহিত)→৫৬

৭৫। আল-কিয়ামাহ (পুনরুত্থান)→৪০

৭৬। আল-ইনসান (মানুষ)→৩১

৭৭। আল-মুরসালাত (প্রেরিত পুরুষগণ)→৫০

৭৮। আন-নাবা (মহাসংবাদ)→৪০

৭৯। আন-নাযিয়াত (প্রচেষ্টাকারী)→৪৬

৮০। আবাসা (তিনি ভ্রুকুটি করলেন)→৪২

৮১। আত-তাকবির (অন্ধকারাচ্ছন্ন)→৩৯

৮২। আল-ইনফিতার (বিদীর্ণ করা)→১৯

৮৩। আত-তাতফিক (প্রতারণা করা)→৩৬

৮৪। আল-ইনশিকাক (খন্ড-বিখন্ড করণ)→২৫

৮৫। আল-বুরুজ (নক্ষত্রপুন্জ)→২২

৮৬।আত-তারিক (রাতের আগন্তুক)→১৭

৮৭। আল-আলা (সর্বোন্নত)→১৯

৮৮। আল-গাশিয়াহ (বিহ্বলকর ঘটনা)→২৬

৮৯। আল-ফজর (ভোরবেলা)→৩০

৯০। আল-বালাদ (নগর)→২০

৯১। আশ-শামস (সূর্য)→১৫

৯২। আল-লাইল (রাত্রি)→২১

৯৩। আদ-দুহা (পূর্বান্হের সুর্যকিরণ)→১১

৯৪। আল-ইনশিরাহ (প্রশস্তকরণ)→৮

৯৫। আত-তীন (ডুমুর)→৮

৯৬। আল-আলাক (রক্তপিন্ড)→১৯

৯৭। আল-ক্বাদর (মহিমান্বিত)→৫

৯৮। আল-বাইয়িনাহ (সুস্পষ্ট প্রমাণ)→৮

৯৯। আল-যিলযাল (ভূমিকম্প)→৮

১০০। আল-আদিয়াত (অভিযানকারী)→১১

১০১। আল-কারিয়াহ (মহাসংকট)→১১

১০২। আত-তাকাছুর (প্রাচুর্যের
প্রতিযোগিতা)→৮

১০৩। আল-আসর (সময়)→৩

১০৪। আল-হুমাযাহ (পরনিন্দাকারী)→৯

১০৫। ফীল (হাতি)→৫

১০৬। আল-কুরাইশ (কুরাইশ গোত্র)→৪

১০৭। আল-মাউন (সাহায্য-সহায়তা)→৭

১০৮। আল-কাওসার (প্রাচুর্য)→৩

১০৯। আল-কাফিরুন (অবিশ্বাসী গোষ্ঠী)→৬

১১০। আন-নাসর (স্বর্গীয় সাহায্য)→৩

১১১। লাহাব (জ্বলন্ত অংগার)→ ৫

১১২। আল-ইখলাস (একত্ব)→৪

১১৩। আল-ফালাক (নিশিভোর)→৫

১১৪। আন-নাস (মানবজাতি)→৬

Monday, November 28, 2016

মানবদেহের অস্থিসমূহের নাম ও সংখ্যা



মানবদেহের অস্থির নাম ও সংখ্যা 


মানবদেহে হাড়ের সংখ্যা ২০৬ টি

দেহের সবচেয়ে বড় অস্থির নাম ফিমার

দেহের সবচেয়ে ছোট অস্থির নাম স্টেপিস




একটি শিশু যখন জন্ম নেয় তখন তার দেহে ২৭০ থেকে ৩৫০ টি অস্থি থাকে। বয়স বাড়ার সাথে সাথে কতকগুলো অস্থি একসাথে যুক্ত হয়ে নতুন অস্থি গঠন করে এবং ২০৬ হাড় নিয়ে পূর্ণাঙ্গ দেহ গঠিত হয়।


[বন্ধনীভূক্ত সংখ্যা =অস্থি সংখ্যা ]


করোটি- Skull:


খুলির অস্থি - Cranial bone (৮)


পশ্চাৎ অস্থি- Occipital bone
ঊর্ধ্ব অস্থি- Parietal bone (২)
অগ্র অস্থি- Frontal bone
পার্শ্ব অস্থি - Temporal bone(২)
অন্তস্থ অস্থি- Sphenoid bone
চোখপশ্চাৎ অস্থি- Ethnoid bone


                      খুলির অস্থি


মুখমণ্ডলীয় অস্থি- Facial Bone:


নাসা অস্থি- Nasal bone (২)
ঊর্ধ্বচোয়াল অস্থি (উপরের
চোয়াল)- Maxillae bone (২)
ল্যাক্রিমাল অস্থি (২)
জাইগোম্যাটিক অস্থি (২)
প্যালাটাইন অস্থি (২)
ইনফেরিয়র ন্যাসাল কঙ্কা (২)
ভোমার
ম্যান্ডিবল (নিচের চোয়াল)
হাইওয়েড অস্থি

                    মুখমণ্ডলীয় অস্থি


মধ্যকর্ণ- In the middle ear:


ম্যালিয়াস (২)
ইনকাস (২)
স্টেপিস (২)

                     কানের অস্থি


বক্ষপিঞ্জর :


বুকের প্রধান হাড় (১)

বক্ষাস্থি (২৪ , ১২ জোড়া),

নিম্নলিখিত:

a)উপরের [৭] জোড়া সরাসরি
স্টার্নামের সাথে যুক্ত

b)মাঝের [৫] জোড়া
পরোক্ষভাবে স্টার্নামের
সাথে যুক্ত

c)নীচের [২] জোড়া ভাসমান।

মেরুদণ্ড ( মোট ২৪ টি):


কশেরুকার সংখ্যাবিন্যাস>


গ্রীবা কশেরুকা- Cervical Vertebrae (৭)
বক্ষ কশেরুকা- Thoracic Vertibrae (১২)
কোমড় কশেরুকা- Lumbar Vertebrae (৫)
শ্রোণী কশেরুকা- Sacral Vertebrae (৫ , জন্মের
সময়। পরবর্তীতে একটি নিচের
শ্রোণী অস্থির সাথে যুক্ত হয়।)
পায়ু কশেরুকা- Coccygeal Vertebrae (৪ , জন্মের সময়।
পরবর্তীতে একটি নিচের
শ্রোণী অস্থির সাথে যুক্ত হয়।)

                               মেরুদণ্ড 



বাহু:


ঊর্ধাঙ্গের অস্থি:


ক্ল্যাভিকল (২)
স্ক্যাপুলা (২)
হিউমেরাস (২)
আলনা (২)
রেডিয়াস (২)


                        বাহুর অস্থি


হাতের অস্থি (৫৪ টি,প্রতি হাতে ২৭ টি করে)


কার্পাস
স্ক্যাফয়েড (২)
লুনেট (২)
ট্রাইকুয়েট্রাল (২)
পিসিফর্ম (২)
ট্রাপেজিয়াম (২)
ট্রাপেজয়েড (২)
ক্যাপিটেট (২)
হ্যামেট (২)
মেটাকার্পাস (৫ × ২)
হাতের ফ্যালাঞ্জেস>
প্রক্সিমাল ফ্যালাঞ্জেস (৫
× ২)
মধ্যবর্তী ফ্যালাঞ্জেস (৪ ×
২)
ডিস্টাল ফ্যালাঞ্জেস (৫ ×
২)


                  হাতের অস্থি




নিতম্বাস্থি (২)

পায়ের অস্থি:


ফিমার (২);
প্যাটেলা (২);
টিবিয়া (২);
ফিবুলা (২)

টার্সাল
ক্যালকেনিয়াস (২)
ট্যালাস (২)
নেভিকুলার (২)
কুনিফর্ম (৬)
কিউবয়েড (2)
মেটাটার্সাল
পায়ের পাতার ফ্যালাঞ্জেস>
প্রক্সিমাল ফ্যালাঞ্জেস (৫
× ২)
মধ্যবর্তী ফ্যালাঞ্জেস (৪ x
২)
ডিস্টাল ফ্যালাঞ্জেস (৫ x
২)
সিসাময়েড

                      পায়ের অস্থি



To visit this site through Freebasics without data charges search "Amar Blog" in the Freebasics.

Wednesday, November 2, 2016

বিশ্বের ৭০ টি অঞ্চলের ভৌগোলিক উপনাম



1/ সূর্যোদয়ের দেশ – জাপান
2/ ভূ-স্বর্গ – কাশ্মীর
3/ নিষিদ্ধ দেশ – তিব্বত
4/ নিষিদ্ধ নগরী – লাসা
5/ মুক্তার দ্বীপ – বাহরাইন
6/ সমুদ্রের বধু – গ্রেট বিটেন
7/ নিশীথ সূর্য্যের দেশ – নরওয়ে
8/ সাদা হাতির দেশ – থাইল্যান্ড
9/ বাজারের শহর – কায়রো
10/ নীল নদের দেশ – মিশর
11/ আগুনের দ্বীপ – আইসল্যান্ড
12/ প্রাচ্যের ডান্ডি – নারায়ণগঞ্জ
13/ বজ্রপাতের দেশ – ভূটান
14/ সোনালী তোরণের শহর –
সানফ্রান্সিসকো
15/ ইউরোপের ককপিট – বেলজিয়াম
16/ স্কাই স্ক্রাপার্সের শহর – নিউইয়র্ক
17/ ব্রিটেনের বাগান – কেন্ট
(ইংল্যান্ড)
18/ মসজিদের শহর – ঢাকা
19/ সাদা শহর – বেলগ্রেড
(যুগোস্লাভিয়া)
20/ মুক্তার দেশ – কিউবা
21/ বাতাসের শহর – শিকাগো
22/ হাজার দ্বীপের দেশ – ফিনল্যান্ড
23/ মন্দিরের শহর – বেনারস
24/ মরুভুমির দেশ – আফ্রিকা
25/ নীরব শহর – রোম
26/ পবিত্র ভুমি – প্যালেস্টাইন
27/ ভূমিকম্পের দেশ – জাপান
28/ সাত পাহাড়ের শহর – রোম
29/ দক্ষিণের গ্রেট ব্রিটেন –
নিউজিল্যান্ড
30/ প্রাচ্যের গ্রেট ব্রিটেন – জাপান
31/ শ্বেতাঙ্গদের কবরস্থান – গিনিকোস্ট
32/ পান্না দ্বীপ – আয়ারল্যান্ড
33/ চির সবুজের দেশ – নাটাল
34/ পোপের শহর – রোম
35/ উত্তরের ভেনিস – স্টকহোম
36/ স্বর্ণ নগরী – জোহনেসবার্গ
37/ ল্যান্ড অব মার্বেল – ইটালি
38/ পবিত্র পাহাড় - ফুজিয়ামা (জাপান)
39/ গোলাপি শহর – রাজস্থান (ভারত)
40/ দ্বীপের নগরী – ভেনিস
41/ আফ্রিকার সিংহ – ইথিওপিয়া
42/ সকাল বেলার শান্তি – কোরিয়া
43/ ইউরোপের রণক্ষেত্র – বেলজিয়াম
44/ চির বসন্তের নগরী – কিটো (দ.
আমেরিকা)
45/ চীনের দুঃখ – হোয়াংহো নদী
46/ ভূ-মধ্য সাগরের
প্রবেশদ্বার – জিব্রাল্টার
48/ ম্যাপল পাতার দেশ – কানাডা
49/ দক্ষিণের রাণী – সিডনি
50/ প্রাচ্যের ভেনিস – ব্যাংকক
51/ ইউরোপের ক্রীড়াঙ্গন - সুইজারল্যান্ড
52/ ট্যাক্সির নগরী- মেক্সিকো
53/ নিশ্চুপ সড়কের শহর- ভেনিস
54/ Big Apple - নিউইয়র্ক
55/ বাংলাদেশের সুইজারল্যান্ড - পার্বত্য খাগড়াছড়ি
56/ বাংলাদেশের লন্ডন - সিলেট
57/ লিটল বাংলাদেশ - লস অ্যাঞ্জেলস,যুক্তরাষ্ট্র
58/ বাংলার দুঃখ - দামোদর নদী
59/ ইউরোপের দ্বার - ভিয়েনা
60/ বৃহদাকার চিড়িয়াখানা - আফ্রিকা
61/ বাংলাদেশের জলের কন্যা- পটুয়াখালী
62/ মাছহীন নদী - জর্দান নদী
63/ বাংলাদেশের পাহাড়ি কন্যা- বান্দরবান
64/ বাংলাদেশের হিমালয়ের কন্যা- পঞ্চগড়
65/ বাংলাদেশের সাগর কন্যা- কুয়াকাটা
66/ বাংলাদেশের দ্বীপের রানী - ভোলা
67/ বাংলাদেশের প্রকৃতি কন্যা- জাফলং
68/ বাংলাদেশের প্রকৃতির রানী - খাগড়াছড়ি
69/ বাংলার ফুসফুস - সুন্দরবন
70/ বাংলার ভেনিস - বরিশাল

Wednesday, October 26, 2016

৫০টি সংক্ষিপ্ত শব্দের পূর্ণরূপ





১। Wi-Fi র পূর্ণরূপ — Wireless Fidelity.
২। HTTP এর পূর্ণরূপ — Hyper Text
Transfer
Protocol.
৩। HTTPS এর পূর্ণরূপ — Hyper Text
Transfer
Protocol Secure.
৪। URL এর পূর্ণরূপ — Uniform
Resource
Locator.
৫। IP এর পূর্ণরূপ— Internet Protocol
৬। VIRUS এর পূর্ণরূপ — Vital
Information
Resource Under Seized.
৭। SIM এর পূর্ণরূপ — Subscriber
Identity
Module.
৮। 3G এর পূর্ণরূপ — 3rd Generation.
৯। GSM এর পূর্ণরূপ — Global System
for Mobile
Communication.
১০। CDMA এর পূর্ণরূপ — Code Divison
Multiple
Access.
১১। UMTS এর পূর্ণরূপ — Universal
Mobile
Telecommunication
System.
১২। RTS এর পূর্ণরূপ — Real Time
Streaming
১৩। AVI এর পূর্ণরূপ — Audio Video
Interleave
১৪। SIS এর পূর্ণরূপ — Symbian OS
Installer File
১৫। AMR এর পূর্ণরূপ — Adaptive Multi-
Rate
Codec
১৬। JAD এর পূর্ণরূপ — Java Application
Descriptor
১৭। JAR এর পূর্ণরূপ — Java Archive
১৮। MP3 এর পূর্ণরূপ — MPEG player lll
১৯। 3GPP এর পূর্ণরূপ — 3rd
Generation
Partnership Project
২০। 3GP এর পূর্ণরূপ — 3rd Generation
Project
২১। MP4 এর পূর্ণরূপ — MPEG-4 video
file
২২। AAC এর পূর্ণরূপ — Advanced Audio
Coding
২৩। GIF এর পূর্ণরূপ — Graphic
Interchangeable
Format
২৪। BMP এর পূর্ণরূপ — Bitmap
২৫। JPEG এর পূর্ণরূপ — Joint
Photographic
Expert Group
২৬। SWF এর পূর্ণরূপ — Shock Wave
Flash
২৭। WMV এর পূর্ণরূপ — Windows
Media Video
২৮। WMA এর পূর্ণরূপ — Windows
Media Audio
২৯। WAV এর পূর্ণরূপ — Waveform
Audio
৩০। PNG এর পূর্ণরূপ — Portable
Network
Graphics
৩১। DOC এর পূর্ণরূপ — Doc**ent
(Microsoft
Corporation)
৩২। PDF এর পূর্ণরূপ — Portable
Doc**ent
Format
৩৩। M3G এর পূর্ণরূপ — Mobile 3D
Graphics
৩৪। M4A এর পূর্ণরূপ — MPEG-4 Audio
File
৩৫। NTH এর পূর্ণরূপ — Nokia Theme
(series 40)
৩৬। THM এর পূর্ণরূপ — Themes (Sony
Ericsson)
৩৭। MMF এর পূর্ণরূপ — Synthetic
Music Mobile
Application File
৩৮। NRT এর পূর্ণরূপ — Nokia Ringtone
৩৯। XMF এর পূর্ণরূপ — Extensible
Music File
৪০। WBMP এর পূর্ণরূপ — Wireless
Bitmap
Image
৪১। DVX এর পূর্ণরূপ — DivX Video
৪২। HTML এর পূর্ণরূপ — Hyper Text
Markup
Language
৪৩। WML এর পূর্ণরূপ — Wireless
Markup
Language
৪৪। CD এর পূর্ণরূপ — Compact Disk.
৪৫। DVD এর পূর্ণরূপ — Digital
Versatile Disk.
৪৬। CRT — Cathode Ray Tube.
৪৭। DAT এর পূর্ণরূপ — Digital Audio
Tape.
৪৮। DOS এর পূর্ণরূপ — Disk Operating
System.
৪৯। GUI এর পূর্ণরূপ — Graphical User
Interface.
৫০। ISP এর পূর্ণরূপ — Internet Service
Provider.

Thursday, August 25, 2016

নিষিদ্ধ দেশ তিব্বত



তিব্বত নিষিদ্ধ দেশ। একে পৃথিবীর ছাদও বলা হয়। এই দুটি উপাধি পাবার পেছনে যে কারণটি লুকিয়ে আছে তা হল সমুদ্রপৃষ্ঠ হতে এর উচ্চতা।  শত শত বছর ধরে
হিমালয়ের উত্তর অংশে
দাঁড়িয়ে আছে তিব্বত নামের এই
রহস্যময় রাজ্যটি। তিব্বতে যে কী
আছে সে ব্যাপারে সবার মনে
রয়েছে জিজ্ঞাসা।
হিমালয়ের উত্তরে অবস্থিত ছোট
একটি দেশ তিব্বত। ১৯১২
খ্রিস্টাব্দে ত্রয়োদশ
দালাইলামা কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত
গণচীনের একটি সশাসিত অঞ্চল
তিব্বত। মধ্য এশিয়ায় অবস্থিত এই
অঞ্চলটি তিব্বতীয় জনগোষ্ঠীর
আবাসস্থল। এই অঞ্চলটি চীনের
অংশ হলেও এখানকার অনেক
তিব্বতি এই অঞ্চলকে চীনের অংশ
মানতে নারাজ। ১৯৫৯ সালে
গণচীনের বিরুদ্ধে তিব্বতিরা
স্বাধিকার আন্দোলন করলে সেটি
ব্যর্থ হয়। তখন দালাইলামার
নেতৃত্বে অসংখ্য তিব্বতি ভারত
সরকারের আশ্রয় গ্রহণপূর্বক হিমাচল
প্রদেশের ধর্মশালায় বসবাস শুরু
করেন। সেখানে স্বাধীন
তিব্বতের নির্বাসিত সরকার
প্রতিষ্ঠিত হয়।
তিব্বতের রহস্য অজানার পেছনে
এর প্রকৃতি ও দুর্গম পরিবেশ অনেক
ক্ষেত্রে দায়ী। রাজধানী
লাসা থেকে মাত্র ১০০
কিলোমিটার দূরে অবস্থিত
গোবি মরুভূমি। মরুভূমির নিষ্ঠুর ও
কষ্টদায়ক পরিবেশ এসব এলাকার
মানুষকে কাছে আনতে
নিরুৎসাহিত করে। তিব্বতের
বেশিরভাগ ভূ-ভাগ সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে
১৬০০০ ফুটেরও ওপরে অবস্থিত হওয়ায়
সেখানে বসবাস করা পৃথিবীর
অন্যান্য স্থানের চেয়ে একটু
বেশি কষ্টকর। এই অঞ্চলগুলো এতই উঁচু
যে, একে পৃথিবীর ছাদ বলা হয়ে
থাকে। তিব্বতের স্থলভাগ বছরের
প্রায় আট মাস তুষারে ঢেকে
থাকে। সেই প্রাচীনকাল থেকেই
তিব্বতকে ঘিরে প্রচলিত রয়েছে
অনেক রহস্য। তিব্বতের রাজধানী
লাসা বিশ্বব্যাপী নিষিদ্ধ নগরী
হিসেবে পরিচিত ছিল অনেক
আগে থেকেই। লাসায়
বহির্বিশ্বের কোনো লোকের
প্রবেশাধিকার ছিল না। দেশটি
পৃথিবীর অন্য সব অঞ্চল থেকে
একেবারেই বিচ্ছিন্ন ছিল। তিব্বত
বা লাসায় বাইরের বিশ্ব থেকে
কারও প্রবেশ করার আইন না
থাকায় এই অঞ্চলটি দীর্ঘদিন ধরে
সবার কাছে একটি রহস্যময় জগৎ
হিসেবে পরিচিত ছিল। কী আছে
লাসায়, সেটা দেখার জন্য
উদগ্রীব হয়ে থাকত সমগ্র বিশ্ব।
লাসার জনগোষ্ঠী, শহর, বন্দর,
অট্টালিকা সব কিছুই ছিল সবার
কাছে একটি রহস্যঘেরা বিষয়।
লাসা নগরীতে ছিল বিখ্যাত
পোতালা নামক একটি প্রাসাদ।
এই প্রাসাদটি প্রথমবারের মতো
বহির্বিশ্বের মানুষেরা দেখতে
পায় ১৯০৪ সালে। আমেরিকার
বিখ্যাত ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক
পত্রিকায় এই বিখ্যাত
অট্টালিকার ছবি ছাপা হয়।
তিব্বতের চতুর্দিকে
বিচ্ছিন্নভাবে ছড়িয়ে ছিটিয়ে
আছে অসংখ্য পাহাড় ও গুহা। সেই
পাহাড়ি গুহাগুলোতে বাস করে
বৌদ্ধ পুরোহিত লামারা।



তিব্বতিরা অত্যান্ত ধর্মভীরু ।
তাদের মধ্যে ধর্ম একটি গুরুত্বপূর্ণ
স্থান দখল করে আছে। তাদের
প্রধান ধর্মগুরুর নাম দালাইলামা।
বৌদ্ধ সন্ন্যাসীরা তিব্বতে
লামা নামে পরিচিত। লামা
শব্দের অর্থ সর্বপ্রধান, আর দালাই
শব্দের অর্থ জ্ঞান সমুদ্র। অর্থাৎ
দালাইলামা শব্দের অর্থ হচ্ছে
জ্ঞান সমুদ্রের সর্বপ্রধান। ধর্মগুরু বা
দালাইলামা বাস করে সোনার
চূড়া দেওয়া পোতালা
প্রাসাদে। ১৩৯১ সালে প্রথম
দালাইলামার আবির্ভাব ঘটে।
দালাইলামাকে তিব্বতিরা
বুদ্ধের অবতার মনে করে থাকে।
তিব্বতিদের বিশ্বাস, যখনই কেউ
দালাইলামার পদে অভিষিক্ত হয়
তখনই ভগবান বুদ্ধের আত্মা তার
মধ্যে আবির্ভূত হয়। এক
দালাইলামার মৃত্যুর পর নতুন
দালাইলামার নির্বাচন হয়।
দালাইলামা নির্বাচনের
পদ্ধতিটাও বেশ রহস্যময় এবং
রোমাঞ্চকর।
তিব্বতিদের দালাইলামা বা
নেতা নির্বাচনের পদ্ধতিটি খুবই
বিচিত্র। তিব্বতি প্রথা মতে
কারও মৃত্যুর সঙ্গে সঙ্গেই তার
মরদেহের সৎকার করা হয় না।
তাদের দৃঢ় বিশ্বাস, মৃত্যুর পরও
আত্মা জাগতিক পরিমণ্ডলে বিচরণ
করে। আর যতক্ষণ পর্যন্ত আত্মা
জাগতিক পরিমণ্ডল ত্যাগ না করে
ততক্ষণ পর্যন্ত তারা মরদেহটি
তাদের বাড়িতে রেখে দেয়।
কোনো লামার মৃত্যু হলে লাসার
পূর্বে লহামপূর্ণ সরোবরের তীরে
লামারা ধ্যান করতে বসে।
ধ্যানযোগে লামারা দেখতে
পায় সেই সরোবরে স্বচ্ছ পানির
ওপর ভেসে উঠছে একটি গুহার
প্রতিবিম্ব। যে গুহার পাশে আছে
একটি ছোট্ট বাড়ি। প্রধান লামা
তার সেই অলৌকিক অভিজ্ঞতার
মাধ্যমে এঁকে দেবে নতুন
দালাইলামার ছবি। বড় বড়
লামারা সেই ছবির তাৎপর্য
নিয়ে আলোচনা করে। তারপর
কয়েকজন লামা ছোট ছোট দলে
বিভক্ত হয়ে তিব্বতের বিভিন্ন
স্থানে যায় শিশু অবতারের
খোঁজে। তারা তিব্বতের ঘরে
ঘরে গিয়ে সেই ছবির হুবহু শিশুটি
খুঁজে বের করার চেষ্টা করে। আর
এভাবেই তারা খুঁজে বের করে
তাদের নতুন দালাইলামাকে।
তিব্বতের লামারাসহ সাধারণ
মানুষেরাও প্রেতাত্মাকে খুবই ভয়
পায়। তারা সর্বদা প্রেতাত্মার
ভয়ে আড়ষ্ট থাকে। অধিকাংশ
তিব্বতির ধারণা, মানুষের মৃত্যুর পর
দেহের ভেতর থেকে
প্রেতাত্মারা মুক্ত হয়ে বাইরে
বেরিয়ে আসে। ওই প্রেতাত্মার
লাশ সৎকার হওয়ার আগ পর্যন্ত সে
মানুষের ক্ষতি করার জন্য ঘুরে
বেড়ায়। তারা কখনও মানুষের ওপর
ভর করে, কখনও পশু-পাখি কিংবা
কোনো গাছ অথবা পাথরের ওপরও
ভর করে। প্রেতাত্মাদের হাত
থেকে বাঁচতে ও প্রেতাত্মাদের
খুশি রাখতে তিব্বতিরা পূজা
করে থাকে।
তিব্বতে সরকারি ভাষা
হিসেবে চীনা ভাষার প্রচলন
থাকলেও তিব্বতিদের ভাষার
রয়েছে সুপ্রাচীন ইতিহাস। তাই
চীনের বেশ কিছু প্রদেশ এবং
ভারত, পাকিস্তান, নেপাল ও
ভুটানে তিব্বতি ভাষাভাষী
মানুষ রয়েছে।
তিব্বতিদের সবচেয়ে ব্যতিক্রমী
আচার হলো মৃতদেহের সৎকার।
এদের মৃতদেহ সৎকার পদ্ধতি খুবই
অদ্ভুত। কোনো তিব্বতি যদি মারা
যায়, তবে ওই মৃতদেহ কাউকে ছুঁতে
দেওয়া হয় না। ঘরের এক কোণে
মৃতদেহটি বসিয়ে চাদর অথবা
পরিষ্কার কাপড় দিয়ে ঢেকে
রাখা হয়। মৃতদেহের ঠিক পাশেই
জ্বালিয়ে রাখা হয় পাঁচটি
প্রদীপ। তারপর পুরোহিত পোবো
লামাকে ডাকা হয়। পোবো
লামা একাই ঘরে ঢোকে এবং
ঘরের দরজা-জানালা সব বন্ধ করে
দেয়। এরপর পোবো মন্ত্র পড়ে শরীর
থেকে আত্মাকে বের করার
চেষ্টা করে। প্রথমে মৃতদেহের
মাথা থেকে তিন-চার গোছা চুল
টেনে ওপরে আনে। তারপর
পাথরের ছুরি দিয়ে মৃতদেহের
কপালের খানিকটা কেটে
প্রেতাত্মা বের করার রাস্তা
করে দেওয়া হয়। শবদেহকে নিয়ে
রাখে একটা বড় পাথরের টুকরোর
ওপর। ঘাতক একটি মন্ত্র পড়তে পড়তে
মৃতদেহের শরীরে বেশ কয়েকটি
দাগ কাটে। দাগ কাটার পর একটি
ধারালো অস্ত্র দিয়ে সেই দাগ
ধরে ধরে মৃতদেহকে টুকরো টুকরো
করে কেটে ফেলা হয়। তারপর
পশুপাখি দিয়ে খাওয়ানো হয়।
তিব্বতের সামাজিক অবস্থার
কথা বলতে গেলে বলতে হয় এমন এক
সমাজের কথা, যা গড়ে উঠেছিল
আজ থেকে প্রায় ছয় হাজার বছর
আগে। তখন পীত নদীর উপত্যকায়
চীনারা জোয়ার ফলাতে শুরু
করে। অন্যদিকে আরেকটি দল রয়ে
যায় যাযাবর। তাদের মধ্য থেকেই
তিব্বতি ও বর্মী সমাজের সূচনা হয়।
খাবার- দাবারের ও রয়েছে
যথেষ্ট ভিন্নতা । শুনলে অবাক
হবেন উকুন তিব্বতিদের অতি প্রিয়
খাবার। ঐতিহ্যগত তিব্বতি
সমাজের এক গুরুত্বপূর্ণ অনুষঙ্গ
যাযাবর বা রাখাল জীবনযাপন।
ভেড়া, ছাগল ও ঘোড়া পালন
তাদের প্রধান জীবিকা। শুধু
চীনের তিব্বত স্বশাসিত অঞ্চলের
মোট জনসংখ্যার ২৪ শতাংশ এই
যাযাবর রাখাল সম্প্রদায়। এরা
কখনও চাষাবাদের কাজ করে না।
মোট ভূমির ৬৯ শতাংশ এলাকা
চারণ বা তৃণভূমি। চীনা ঐতিহ্যের
সঙ্গে মিল রেখে তিব্বতিরাও
ভীষণ চা প্রিয়। তাদের বিশেষ
চায়ে মেশানো হয় মাখন এবং
লবণ। তবে তিব্বতিদের প্রধান
খাবার হলো চমবা। গম এবং যবকে
ভেজে পিষে চমবা তৈরি করা
হয়। তারা খাবার পাত্র হিসেবে
ব্যবহার করে কাঠের পেয়ালাকে।
আধুনিক বিশ্ব দিন দিন আধুনিক
হলেও আজও তিব্বত বিশ্বে রহস্যময়
একটি অঞ্চল।

Wednesday, August 17, 2016

সংক্ষেপে "বারমুডা ট্রায়াঙ্গল " রহস্য



বারমুডা ট্রায়াঙ্গল ! পৃথিবীর
রহস্যময় স্থানগুলোর তালিকা করা
হলে সে তালিকার প্রথম দিকে
থাকবে এই নামটি । রহস্যময়, ভূতুড়ে,
গোলমেলে, অপয়া সব বিশেষণই
বারমুডা ট্রায়াঙ্গলের জন্য উপযুক্ত ।
সারা বিশ্বজুড়ে সব চাইতে
অলোচিত রহস্যময় অঞ্চল হচ্ছে এই
বারমুডা ট্রায়াঙ্গল । এর রহস্য
উদঘাটনের জন্য অসংখ্য গবেষণা
চালানো চয়েছে, এই স্থানকে
নিয়ে অন্তর্জাতিক গনমাধ্যমে
অসংখ্য প্রতিবেদন প্রকাশিত
হয়েছে, বিভিন্ন টিভি চ্যানেল
তৈরি করেছে ডকুমেন্টারি । তবু
আজো এই স্থানটির রহস্যময়তার
নেপথ্যে কি রয়েছে তা জানা
সম্ভব হয় নি ।
বারমুডা ট্রায়াঙ্গল এলাকাটি
আটলান্টিক মহাসাগরের একটি
বিশেষ ত্রিভুজাকার অঞ্চল
যেখান বেশ কিছু জাহাজ ও
উড়োজাহাজ রহস্যজনক ভাবে
নিখোঁজ হয়ে গেছে চিরদিনের
জন্য । কিন্তু সত্যিকার অর্থে
বারমুডা ট্রায়াঙ্গলের ভৌগলিক
অবস্থান নির্দিষ্ট নয় । কেউ মনে
করেন এর আকার ট্রাপিজয়েডের
মত যা ছড়িয়ে আছে স্ট্রেইটস অব
ফ্লোরিডা, বাহামা এবং
ক্যারিবিয়ান দ্বীপপূঞ্জ এবং
ইশোর পূর্বদিকের আটলান্টিক
অঞ্চল জুড়ে । আবার কেউ কেউ
এগুলোর সাথে মেক্সিকোর
উপসাগরকেও যুক্ত করেন । তবে
লিখিত বর্ণনায় যে সকল অঞ্চলের
ছবি ফুটে ওঠে তাতে বোঝা যায়
ফ্লোরিডার আটলান্টিক উপকূল,
সান হোয়ান, পর্তু রিকো, মধ্য
আটলান্টিকে বারমুডার দ্বীপপূঞ্জ
এবং বাহামা ও ফ্লোরিডা
স্ট্রেইটস এর দক্ষিণ সীমানা জুড়ে
এটি বিস্তৃত ।
বারমুডা ট্রায়াঙ্গলের বিষয়ে
বিভিন্ন লেখক রেফারেন্স
হিসেবে সর্বপ্রথম ক্রিস্টোফার
কলম্বাসের কথা উল্লেখ করেছেন ।
কলম্বাস লিখেছিলেন যে তাঁর
জাহাজের নবিকেরা এই অঞ্চলের
দিগন্তে আলোর নাচানাচি এবং
আকাশে ধোঁয়া দেখেছেন ।
এছাড়া তিনি এখানে কম্পাসের
উল্টাপাল্টা দিক নির্দেশনার
কথাও বর্ণনা করেছেন । এরপরেও
অসংখ্য ঘটনা বিশ্ববাসীর সামনে
এসেছে বারমুডা ট্রায়াঙ্গলকে
কেন্দ্র করে ।
১৯৪৫ সালের ডিসেম্বর মাস
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৫টি যুদ্ধ
বিমান প্রশিক্ষণ নেবার জন্য উদ্দয়ন
করে । কিছুক্ষণ পরেই তারা সেই
ভয়ংকর বারমুডা ট্রায়াঙ্গলের
কাছে চলে যায় এবং কেন্দ্রে
ম্যাসেজ দেয় যে তারা সামনে
আর কিছুই দেখতে পারছে না যতদূর
চোখ যাচ্ছে শুধুই কুয়াশা । অদৃশ্য
হবার শেষ মুহূর্তে তাদের শেষ কথা
ছিল “আমাদের বাঁচাও, উদ্ধার কর
এখান থেকে আকাশের কুয়াশা
আমাদের কোথায় যেন নিয়ে
যাচ্ছে !”
এর পর আর তাদের কাছ কোন ধরনের
ম্যাসেজ পাওয়া যায়নি ।
পরবর্তীতে তাদের উদ্ধার করার
জন্য একটি উদ্ধারকারী দল
সেদিকে পাঠানো হয় কিন্তু
তাদেরকেও আর খুজে পাওয়া যায়
নি । এর পরপরই বারমুডা ট্রায়াঙ্গল
আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত
হয় ।
১৯৫০ সালের সেপ্টেম্বর মাসের
১৬ তারিখে অ্যাসোসিয়েট
প্রেসের এক প্রবন্ধে সাংবাদিক ই
ভি ডাবলিউ জোনস বারমুডা
ট্রায়াঙ্গেলের অস্বাভাবিক
ঘটনার কথা লিখে একে
বিশ্ববাসীর নজরে আনেন । ১৯৫২
সালে ‘ফেট’ ম্যাগাজিন-এর জর্জ
এক্স সান্ড লিখেন “সি মিসট্রি
অ্যাট আওয়ার ব্যাক ডোর”। জর্জ
এক্স সান্ড ৫ জন ইউএস নেভি সহ ১৯
নং ফ্লাইটের নিখোঁজ সংবাদ
ছাপেন । শুরু হয় বারমুডা রহস্য !
১৯৫৯ সালের ১৭ জানুয়ারী স্টার
এরিয়েল নামের একটি বিমান
লন্ডন থেকে জ্যামাইকা যাচ্ছিল
। সকাল ৭টা ৪৫ মিনিটে এটি
বারমুডার আকাশে উড়ল । তখন
আবহাওয়া ছিল স্বাভাবিক ও সুন্দর
। আর সমুদ্র ছিল শান্ত । ওড়ার ৫৫
মিনিট পর বিমানটি অদৃশ্য হয়ে
গেল । এ নিয়ে অনেক অনুসন্ধান
হলো । কিন্তু সমুদ্রের কোথাও
বিমানটির ধ্বংসাবশেষ খুঁজে
পাওয়া গেল না । বিমানটি অদৃশ্য
হয়েছিল ১৭ জানুয়ারি রাতে । ১৮
তারিখ রাতে এক অনুসন্ধানী দল
জানাল, সেখানকার সমুদ্রের
বিশেষ বিশেষ একটি জায়গা
থেকে অদ্ভূত একটি আলোর আভাস
দেখা যাচ্ছে । এ ঘটনার এক বছর
আগে সেখান থেকে
রহস্যজনকভাবে অদৃশ্য হয়ে
গিয়েছিল একটি ডিসি-৩ বিমান
। সেটি যাচ্ছিল সানজুয়ান
থেকে সিয়ামি । এছাড়াও
অসংখ্য ঘটনার উল্লেখ আছে
বারমুডা ট্রায়াঙ্গলকে নিয়ে ।
এই স্থানটি নিয়ে আরেকটি গুজব
আছে, অনেকেই মনে করে
ভিনগ্রহের মানুষেরা যখন পৃথিবীত
আসে তখন তারা এই স্থানকে
তাদের ঘাটি বানিয়ে নেয় এই
কারনে এখানে যা কিছু আসবে
সেটি গায়েব করে দিবে যাতে
করে তাদের কেউ ক্ষতি বা চিহ্ন
খুজে না পায় ।
এই অঞ্চলের রহস্যময়তার একটি দিক
হলো, কোনো জাহাজ এই ত্রিভুজ
এলাকায় প্রবেশ করার কিছুক্ষণের
মধ্যেই তা বেতার তরঙ্গ প্রেরণে
অক্ষম হয়ে পড়ে এবং এর ফলে
জাহাজটি উপকূলের সঙ্গে
যোগাযোগ স্থাপনে ব্যর্থ হয় ।
একসময় তা দিক নির্ণয় করতে না
পেরে রহস্যজনকভাবে অদৃশ্য হয়ে
যায় ।
মার্কিন নেভির সূত্র অনুযায়ী, গত
২০০ বছরে এ এলাকায় কমপক্ষে
৫০টি বাণিজ্যিক জাহাজ এবং
২০টি বিমান চিরতরে অদৃশ্য হয়ে
গেছে । এর মধ্যে ১৯৬৮ সালের মে
মাসে হারিয়ে যাওয়া মার্কিন
যুক্তরাষ্ট্রের পারমাণবিক
ডুবোজাহাজের ঘটনাটি সারা
বিশ্বে সবচাইতে বেশি আলোড়ন
তোলে । ঘটনা তদন্তে এর মধ্যে
সবচাইতে বিজ্ঞানসম্মত যে
ব্যাখ্যা পাওয়া গেছে তা হলো,
এলাকাটির স্বাভাবিক বৈশিষ্ট্য
হচ্ছে এখানে স্বাভাবিকের
চাইতে কুয়াশা অনেক বেশি এবং
এর ঘনত্বও তুলনামূলকভাবে বেশি ।
ফলে নাবিকেরা প্রবেশের পরই
দিক হারিয়ে ফেলে এবং
তাদের মধ্যে একপ্রকার
বিভ্রান্তির সৃষ্টি হয়। হয়তো এ
বিভ্রান্তির ফলেই তারা
যথাযথভাবে বেতার তরঙ্গ
পাঠাতে পারে না । প্রমাণ
হিসেবে বিজ্ঞানীরা
দেখিয়েছেন, আধুনিক কালের
সমস্ত জাহাজ জিএসএম প্রযুক্তি
ব্যবহার করে থাকে, তাদের
একটিও এ সমস্যায় পড়েনি ।
আর ধংসাবশেষ খুজে না পাবার
ব্যপারে বিজ্ঞানীরা বলেন,
বারমুডা ট্রায়াঙ্গলে সমুদ্রের
গভীরতা এতোটাই বেশি যে
এখানে যদি কোন বিমান বা
জাহাজ হারিয়ে যায় বা বিধ্বস্ত
হয় তবে তার ধংসাবশেষ খুজে
পাওয়া খুবই অসাধ্য একটি ব্যাপার ।
বর্তমানে আধুনিক প্রযুক্তি যেমন
স্যাটেলাইট ব্যবহার করে যদি এর
চিহ্ন খুজে পাওয়া যায় তারপরেও
সেটি উদ্ধার করা প্রায় অসম্ভব
একটি ব্যাপার ।